if you want to remove an article from website contact us from top.

    বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির যোগ্যতা

    Mohammed

    বন্ধুরা, কেউ কি উত্তর জানেন?

    এই সাইট থেকে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির যোগ্যতা পান।

    প্রাইভেট মেডিকেলে ভর্তির যোগ্যতা, পাশ মার্ক, ও জিপিএ কত পয়েন্ট থাকতে হবে — Doctors Gang

    প্রাইভেট মেডিকেলে ভর্তির যোগ্যতা সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা থেকে খুব একটা ভিন্ন নয়। প্রাইভেট মেডিকেল ভর্তি যোগ্যতা নিম্নরুপ -

    প্রাইভেট মেডিকেলে ভর্তির যোগ্যতা, পাশ মার্ক, ও জিপিএ কত পয়েন্ট থাকতে হবে

    Leave a Comment / প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ, মেডিকেল নিউজ / By Doctors Gang

    প্রাইভেট মেডিকেলে ভর্তির যোগ্যতা

    প্রাইভেট মেডিকেলে ভর্তির যোগ্যতা ২০২২

    Table of Contents

    প্রাইভেট মেডিকেলে ভর্তির যোগ্যতা সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা থেকে খুব একটা ভিন্ন নয়। প্রাইভেট মেডিকেল ভর্তি যোগ্যতা নিম্নরুপ –

    সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার আংশগ্রহন করতে হবে।

    সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্যে আবেদনের যোগ্য হতে হবে।

    সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এট লিস্ট পাশ মার্ক তুলতে হবে। এক্ষেত্রে পাশ মার্ক ৪০। কোন পরীক্ষার্থী ৪০ নম্বরের নিচে পেলে প্রাইভেট মেডিকেলেও ভর্তি হতে পারবেনা।

    প্রাইভেট মেডিকেলে ভর্তির যোগ্যতা জিপিএ কত পয়েন্ট থাকতে হবে

    প্রথমেই বলা হয়েছে সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্যে আবেদনের যোগ্য হতে হবে, সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের জন্যে এসএসসি ও এইচএসসি মিলে সর্বনিম্ন জিপিএ ৯.০০ পয়েন্ট থাকতে হবে।

    তবে আদিবাসী , ও পার্বত্য জেলার প্রার্থিদের ক্ষেত্রে সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের জন্যে এসএসসি ও এইচএসসি মিলে সর্বনিম্ন জিপিএ ৮.০০ পয়েন্ট থাকতে হবে।

    উভয় ক্ষেত্রেই বায়োলজি তে ৩.৫০ এর নিচে গ্রহণযোগ্য নয়।

    প্রাইভেট মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার পাশ মার্ক কত?

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার পাশ মার্ক হচ্ছে ৪০, সরকারি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় কেউ ৪০ নম্বরের নিচে পেলে কোন প্রাইভেট মেডিকেল কলেজেও ভর্তির সুযোগ পাবেনা।

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আরও পড়ুন –

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০২১-২০২২

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাস

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য বই – যেগুলো পড়তেই হবে

    আর্মি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০২১-২০২২

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য কত পয়েন্ট লাগবে এছাড়াও আরো কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

    প্রাইভেট মেডিকেল নিয়ে যেসব প্রশ্ন কমনলি করা হয় এবং খরচ সহ বিস্তারিত জেনে নিন

    আমার এইচএসসি ও এসএসসি মিলে ৮.৭০ পয়েন্ট আছে আমি কি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবো?

    গত বছরের সার্কুলার অনুযায়ী পারবেন না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জিপিএ ৯.০০ থাকতে হবে আবেদনের জন্যে। তবে পার্বত্য জেলার ও আদিবাসীদের জন্যে সর্বনিম্ন জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে।

    আবেদন করার জন্যে সর্বনিম্ন কত পয়েন্ট লাগবে?

    সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্যে জিপিএ ৯.০০ থাকতে হবে আবেদনের। তবে পার্বত্য জেলার ও আদিবাসীদের জন্যে সর্বনিম্ন জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে।

    আপনার কোন কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে, কমেন্ট করুন, অথবা আমাদের ফেসবুক গ্রুপ এ পোস্ট করুন। আমরা উত্তর দিবো।

    সূত্র : www.doctorsgang.com

    বেসরকারি মেডিকেল কলেজ: জানার আছে যা কিছু (2023)

    বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থিদের জন্য বেসরকারি মেডিকেল এর খরচ থেকে শুরু করে ইন্টার্নশিপ পর্যন্ত সব খুটিনাটি জানানো হয়েছে এই লেখায়!

    ভর্তি পরীক্ষা

    প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ: জানার আছে যা কিছু

    Ayesha Pranty

    August 12, 2022

    বছর ঘুরে হয়ে গেল প্রতিবারের মতো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা। সাদা এপ্রন পড়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হাজার হাজার ছেলেমেয়ে অংশ নেয় এই মেডিকেল অ্যাডমিশন টেস্টে। উদ্দেশ্য সবার একটাই, চিকিৎসক হবে। পরীক্ষায় অংশ নেয়া অধিকাংশের টার্গেট থাকে ঢাকা মেডিকেল, সলিমুল্লাহ মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল অথবা যে কোন সরকারি মেডিকেল কলেজ।

    এ বছর সিট বাড়ানোর পরও ৩১টি সরকারি মেডিকেল কলেজে সিটের সংখ্যা ৩৩১৮টি। অথচ প্রত্যেক বছরে মেডিকেল শন ভর্তি পরীক্ষা তে অংশ নেয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা থাকে ৩০ হাজারের উপর৷ কখনো কখনো এ সংখ্যা ৫০-৬০ হাজারেও গিয়ে ঠেকে৷ অর্থাৎ প্রচন্ড প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় চান্স পেতে হলে আপনাকে হতে হবে পরিশ্রমী, কনফিডেন্ট ও সাথে ভাগ্যটাও সহায় হতে হবে।

    দুঃখজনক হলেও সত্যি অনেকের পক্ষেই তাই সম্ভব হয়ে ওঠে না সরকারি মেডিকেল অথবা ডেন্টালে চান্স পাওয়া। তাই বলে কি আজীবনের লালিত ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন থেমে যাবে? উত্তর হলো ‘না’। কারণ সরকারি মেডিকেল ছাড়াও সারা দেশে রয়েছে অসংখ্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজ (Private Medical College) ও ডেন্টাল কলেজ। যেখানে খরচটা একটু ব্যয়বহুল, কিন্তু পড়াশোনার মান সরকারির কাছাকাছি। কোন কোন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ঢাকার বাইরের অনেক সরকারি মেডিকেল কলেজের চেয়েও ভালো পড়ালেখা করায়।

    সারা দেশে বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ (Private Medical College) এর সংখ্যা সর্বমোট ৯৮টি। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হওয়াতে এই সিটের সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও আছে ৬টি মিলিটারি মেডিকেল কলেজ। এছাড়াও আছে গনস্বাস্থ্য মেডিকেল যাতে সিট সংখ্যা ১৩০টি ও USTC Medical যার সিট সংখ্যা ১৫০। বেসরকারী মেডিকেল ছাড়াও সারা দেশে ১৮ টি বেসরকারী ডেন্টাল কলেজও রয়েছে দন্ত্যচকিৎসক (BDS) ছাত্র ছাত্রীদের জন্য।

    আজ তোমাদের জানাবো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ (Private Medical College) নিয়ে যা যা জানার আছে বিস্তারিত:

    বেসরকারি মেডিকেল ভর্তি প্রক্রিয়া ও ফর্ম বিতরণ:

    বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এর আসন সাত হাজার ৩৫৫টি। এর বিপরীতে ভর্তিযোগ্য প্রার্থী ৪৪ হাজার ৭৫৪ জন।

    সরকারি মেডিকেলে ভর্তির পরপরই শুরু হয় বেসরকারি মেডিকেল কলেজ (Private Medical College) এর ফর্ম বিতরণ। সাধারণত প্রতি বছর একটা নির্দিষ্ট মার্ক ঠিক করে দেওয়া হয় বেসরকারি মেডিকেল কলেজ গুলো থেকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষার মার্ক কমপক্ষে ৪০ চাওয়া হয়। বছরভেদে এ মার্ক পরিবর্তন হয়। মার্ক ও আসন সংখ্যা উল্লেখ করে নোটিশ দেয়া হয় বেসরকারি মেডিকেল কলেজ গুলাতে ও তাদের ওয়েবসাইটে, দৈনিক পত্রিকায়। শুরু হয় ফর্ম বিতরণ।

    ফর্ম কেনার পর যাবতীয় তথ্যাদি পূরণ করে ফর্ম জমা দিতে হয় ঐ মেডিকেলে। ফর্মের সাথে মেডিকেল অ্যাডমিশন রেজাল্টের কাগজ, এসএসসি, এইচএসসির মার্কশিট, সার্টিফিকেট ও জমা দেয়া লাগে। একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ (Private Medical College) সাধারণত নির্দিষ্ট সংখ্যক ফর্ম বিক্রি করে ও তার পর শুরু হয় নির্বাচনী প্রক্রিয়া। তাই অ্যাডমিশনের মার্ক ভালো থাকলে আমি সাজেস্ট করবো একটি না কমপক্ষে ৩-৪ টি মেডিকেল কলেজের ফর্ম কিনে এপ্লাই করতে যেখানে আপনি ভর্তি হতে ইচ্ছুক৷

    ফর্ম জমা নেয়ার পর কয়দিন পর কলেজের নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয় ঐ সব ছাত্র ছাত্রীদের নাম, রোল যারা ঐ মেডিকেলে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। ফোন করে জানানো হয় সবাইকে। এক অথবা দুই দিনের মাঝে টাকা জমা নিয়ে ভর্তি করানো হয় যদি নির্বাচিত ছাত্র ছাত্রীদের তালিকায় আপনার নাম থাকে। ভর্তির সময় টাকার সাথে আপনার এসএসসি ও এইচএসসির সার্টিফিকেট রেখে দেয়া হবে আপনার মেডিকেলে।

    অনেক সময়, মেডিকেল অ্যাডমিশন টেস্টের রেজাল্টের সিরিয়াল পেছনে  থাকলে আপনি ১-২টি মেডিকেলে নির্বাচিত নাও হতে পারেন ভর্তির জন্য। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যত বেশী বেসরকারি মেডিকেল কলেজ (Private Medical College) এর ফর্ম তুলবেন, ভর্তির জন্য নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে।

    বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির খরচ

    বেসরকারি মেডিকেল কলেজ (Private Medical College) এ পড়তে গিয়ে যে সমস্যাটা ছেলে মেয়েরা ও তাদের অভিভাবকদের সম্মুখীন হতে হয় তা হলো বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ার খরচ। ভর্তির সময় এককালীন একটি মোটা অংকের টাকা জমা দিতে হবে আপনাকে ভর্তি ফিস ও মেইনটেইন খরচ হিসেবে। এ খরচটা মেডিকেল থেকে মেডিকেল ভিন্ন হয়। সাধারণত ৬ লাখ থেকে শুরু করে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ার খরচ ২০ লাখ পর্যন্ত হতে পারে৷ আপনাকে খোঁজ নিতে হবে আপনি যে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এ ভর্তি হতে ইচ্ছুক সেখানকার খরচ কেমন।

    এছাড়া হোস্টেলে থেকে পড়তে হলে হোস্টেল খরচ হিসেবে মাস শেষে ৫-১০ হাজার টাকা রাখতে হবে। মাসিক বেতন হিসেবে দিতে হতে পারে ৬-৮ হাজার টাকা। এছাড়া পরীক্ষার সময়গুলাতে পরীক্ষার ফি বাবৎ আপনাকে দিতে হতে পারে একটি নির্দিষ্ট টাকা। বিশেষ করে প্রফ পরীক্ষার আগে। এ খরচটাও বিভিন্ন কলেজে বিভিন্ন যদিও বোর্ড এর ফি নির্দিষ্ট। বাকীটা কলেজের খরচ বাবদ নেয়া হয়।

    মেডিকেল এডমিশন কোর্স ২০২২

    কোর্সটিতে যা যা থাকছে

    ৫টি বিষয়ের ওপর ৮৬ টি লাইভ ক্লাস, ৮৬ টি লেকচার শীট ও ৯টি রিভিশন ক্লাস।

    ডেইলি এক্সাম, মান্থলি এক্সাম, পেপার ফাইনাল, সাবজেক্ট ফাইনাল ও ৫ সেট পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট।

    সম্পূর্ণ কোর্সটি দেখুন

    বেসরকারি মেডিকেল ভর্তি এর জন্য নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীদের নির্ধারিত তারিখে সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে কলেজের স্টুডেন্ট সেকশন থেকে নির্ধারিত ফর্ম সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রে যেসব তথ্য ও সনদপত্রের উল্লেখ আছে, তার মূল কপি ভর্তির সময় জমা দিতে হবে। লাগবে অনলাইন আবেদনপত্রের স্টুডেন্ট কপি, অনলাইনে ডাউনলোড করা প্রবেশপত্র, চার কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত রঙিন ছবি, এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট এবং সনদপত্র বা টেস্টিমোনিয়ালের মূল কপি।

    মুক্তিযোদ্ধা, জেলা কোটা, উপজাতীয় প্রার্থীদের কোটার সপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল বা সমমানের মার্কশিট স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে কনভার্ট করে জমা দিতে হবে৷

    সূত্র : blog.10minuteschool.com

    বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু

    The University Campus is the first ever & leading news magazine on education & youth development in Bangladesh. বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পত্রিকা

    হোম

    সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

    মেডিকেল কলেজ কলেজ কারিগরি শিক্ষা সংবাদ∨ মুখোমুখি মতামত∨ প্রতিবেদন ∨ আরো ∨ চাকুরীর সুযোগ ক্যারিয়ার টিপস বিদেশে উচ্চশিক্ষা বৃত্তি আত্মোন্নয়ন স্বাস্থ্য

    বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

    প্রাপ্তিস্থান বিজ্ঞাপন পাঠক ফোরাম

    সূত্র : campus.org.bd

    আপনি উত্তর বা আরো দেখতে চান?
    Mohammed 19 day ago
    4

    বন্ধুরা, কেউ কি উত্তর জানেন?

    উত্তর দিতে ক্লিক করুন